Sharadiya Festival Of Bengal

সোসাল মিডিয়ায় বাংলা যুক্তাক্ষর শব্দ ভেঙে দেওয়া ব্যবস্থা কিছুটা দুরগা পুজতে সব কিছু না পাওয়ার মত। এই লেখা পূজো নিয়ে কোনও তাতবিক কচকচানি নয়। সে যোগ্যতাও আমার নেই। কালবেলা কাটিয়ে এখন ছেলেবেলার একটা অভিগযতা থাক আজকের এই সুন্দ্র আঙ্গিনায়। শাশ্বত শিউলী স্কালের তন্ময়তায়। বার বার নিজেদের দৈনের আভিজাত্যের গ্লপকথার পুনারবূত্তি না ক্রে ব্লি, সালটা ১৯৭১ অথবা ১৯৭২ হবে। বাবার সঙ্গে আমার বড়দা, অতি সাধারণ গো বেচারা মানুষ। তিনি আমি আর আমার ছোড়দি তিনজনে স্থানীয় একটি বড় কাপড়ের দোকানে গেছি নতুন জামা প্যান্ট কিনতে। সেটা সষঠির দিন ছিল।
আমরা দোকানে যাওয়ার পরে গ্রাম থেকে এক সচছল চাষি প্রিবার গ্রু গাড়ি ক্রে দোকানে এল। তাদের আগে গদিতে বসিয়ে চা খাইয়ে সব রক্মের জামা, শাড়ি, প্যান্ট, ধুতি, গেঞ্জি, আন্ডার প্যান্ট একটি মার দেওয়া থান (তখন ব্লা হত মার্কিন কাপড়) কাপড়ে বেঁধে দেওয়া হ্ল। এরক্ম চারটে বড় গাঁট গ্রামের সেই পরিবারটিকে বেঁধে দেওয়া হ্ল। বাইরে দাঁড়িয়ে থাকা গারোয়ান বা গ্রু গাড়ি চালানো দু জন ক্রমী সেই গাঁট চারটে নিয়ে গেল। বাড়ির করতাবাবু নগদ চার হাজার টাকা পেমেন্ট ক্রলেন। আমরা দেড় ঘণ্টা অপেক্ষা ক্রার প্র গদিতে বসার সুযোগ পেলাম। আমাদের জামাপ্যান্ট, মায়ের শাড়ি, শায়া, ব্লাউজ, দিদির জামাপ্যান্ট ইত্যাদি কেনা হল। সাড়ে তিনশো টাকা বিল পেমেন্ট ক্রার প্র আমাদের চা দেওয়া হ্ল। এবং আমাদের জামাপ্যান্টও একটি থান কাপড়ে বেঁধে পাশে রাখা হ্ল। বড়দা সাড়ে তিনশো টাকা পেমেন্ট ক্রতেই আমাদের গাঁট স্রিয়ে ভেত্রের ঘ্রে নিয়ে চলে গেল একজন কর্মচারী। দোকানের মালিক বাবাকে বললেন আমি আর বাকিতে মাল দিতে পারব না। আপনার আগের তিনশো টাকা বাকি আছে। এখন সাড়ে তিনশ। মোট সাড়ে ছ্যশ টাকা দিয়ে মাল নিয়ে যান। বাবা অনেক অনুরোধ ক্রলেন। কিন্তু তিনি গাঁট আর দিলেন না। সে বছর বাড়িতে প্রদীপ জব্লল। নারকেলের নাড়ু হ্ল। কিন্তু সব কিছু পুরনো জামা কাপড় ব্যবহার ক্রেই হ্ল। আন্নদের কোনো ঘাটতি হ্ল না। যোউথ প্রিবার ছিল। তাই আনন্দে কোনও ঘাটতি হ্যনি।
রামমোহন রায়ের বেদান্ত গ্রন্থে (১৮১৫) আছে, ”এই বিশবের জন্ম স্থিতি নাশ যাহা হইতে হয় তিনি ব্রমহ। অর্থাত বিশ্বের জন্মস্থিতি ভঙ্গের দবারা ব্রহ্মকে নিশ্চ্য ক্রি। যেহেতু কারয থাকিলে কারণ থাকে কারয না থাকিলে কারণ থাকে না। ব্রহ্মের এই তটস্থ হয় তাহার কারণ জগতের দ্বারা ব্রহ্মকে নির্ণয় ইহাতে করেন।”
গীতায় ব্লছে, ‘অনন্যচেতাঃ স্ততং যো মাং স্ম্রতি নিতয।/ তসযাহং সুলভঃ পারথ নিত্য যুক্তসা যোগিন।।’ (গীতা ৮।১৪) ‘হে প্রিথান্নদ! অনন্য চিন্তাশীল যে মানুষ আমাকে নিরন্তর স্মরণ করে, সেই নিতয-নিরন্ত্র আমাতে নিয়োজিত যোগীর কাছে আমি সুল্ভ অরথাত আমি তাঁকে সহজেই প্রাপ্ত হই।’
একা মানুষ গ্রাম-গ্রামান্ত্র থেকে হ্যত দীঘির জলের সঙ্গে কথা ব্লে। শহরের একা মানুষ আকাশের তারাদের সঙ্গে কথা ব্লে। এরা কি পুরনো হয় কখনও? ও ক্রতা আপনি কন না। ভোরের শিউলী ফুল কোন অজান্তে টুপ টুপ করে মাঠ ঘাট, চেনা-অচেনা উঠোন গালিচা করে তোলে। মাতোয়ারা গ্নধে আর রঙ্গের ব্রণ ছটায় ওই দূরে আমার মা আসছেন। আমাকে ওই সুদূর থেকে ব্লছেন, আমাকে ভুলে গেলি? আমি আজও আছি। দেখ ব্য়েমে নারকেলের নাড়ু আছে। তিলের নাড়ু আছে। মূগডাল, খির, তেল, চিনির রস দিয়ে তইরি মূগ ব্রফি আছে। আয় আমার সঙ্গে আয়। সামনে লখমী পূজো। পঞ্চাশজন লোক খাবে। আজ থেকে ভাব খিচুড়ি আর কি খাওয়াবি?

Advertisements

1 Comment

Filed under Uncategorized

One response to “Sharadiya Festival Of Bengal

  1. Pingback: Sharadiya Festival Of Bengal | dwaipayankabir

Leave a Reply

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / Change )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / Change )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / Change )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / Change )

Connecting to %s